দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক হাজার ২৯১ জন রোগী হাসপাতালে এসেছেন। মারা গেছেন ছয় জন। এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগী বেড়ে দাঁড়াল এক লাখ ৯৯ হাজার ১৩ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে এক লাখ ৭৬ হাজার ৫১৬ জন। চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক লাখ ৬৯ হাজার ২৯০ জন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক বুলেটিনে বলা হয়েছে, হামের উপসর্গ নিয়ে সোমবার সকাল ৮টার পর ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল ও কুষ্টিয়ায় এক জন করে মারা গেছেন।
চলতি বছরের এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু বেড়ে দাঁড়াল এক হাজার ৩২ জনে। হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেছে ১০২ জনের। সেই হিসাবে হামে মোট এক হাজার ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, হামের উপসর্গে মোট প্রাণহানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৬৮ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপরেই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৭৯ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯৩, চট্টগ্রামে ৯০, ময়মনসিংহে ৮০, বরিশালে ৬১, খুলনায় ৪৫ ও রংপুর বিভাগে ১৬ জন মারা গেছে।
বুলেটিনে বলা হয়, গত একদিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় এক হাজার ২৯১ জন রোগী উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসেন। যার মধ্যে এক হাজার ১৮০ জন ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ১০২ জনের শরীরে। হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৭১ জন, চট্টগ্রামে ২৬০, সিলেটে ১৬৩, বরিশালে ১২৩, খুলনায় ১১১, ময়মনসিংহ ৮৫, রাজশাহীতে ২৯ ও রংপুরে ৩৮ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে হাম এবং ছোঁয়াচে এ রোগের উপসর্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাব রাখছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। হাসপাতালে আসা সব রোগী কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা রোগীদের সবার হাম পরীক্ষা হয় না। ফলে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর সঠিক সংখ্যা পাওয়া যায় না। কেবল হাসপাতালে আসা বা ভর্তি রোগীর তথ্য নথিভুক্ত করা হয়।
পিপলসনিউজ/আরইউ